ভোট গণনার দিনে রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা বলয়, বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের
অশান্তি এড়াতে কমিশন প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে।
Truth of Bengal: সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা আসনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। গণনাকেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর রাখা হয়েছে। নির্বাচনী আধিকারিক ও পর্যবেক্ষকদের মতে, কমিশনের তরফ থেকে সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিইও (CEO) মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তায় কোনো গাফিলতি রাখা হয়নি এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এদিনের ফলাফল ঘোষণার পর কোনো রাজনৈতিক দলই বিজয় মিছিল বের করতে পারবে না।
অশান্তি এড়াতে কমিশন প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে। প্রোটোকল অনুযায়ী, প্রতিটি স্তরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা মোতায়েন রয়েছেন। কমিশন স্পষ্ট করেছে যে, প্রতিটি স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়বদ্ধতা সুনির্দিষ্ট—অর্থাৎ, যদি কোনো স্তরে ত্রুটি ধরা পড়ে, তবে তার দায় সংশ্লিষ্ট স্তরের কর্মীদেরই নিতে হবে। সুষ্ঠুভাবে গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমিশন ২৪২ জন অতিরিক্ত গণনপর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এছাড়াও, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে মোট ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিযুক্ত রয়েছেন, যাঁদের প্রধান কাজ গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। তবে গণনাকক্ষের ভেতরে তাঁদের প্রবেশাধিকার থাকবে না।
অন্যদিকে, ভোট গণনা শুরু হওয়ার প্রাক্কালেই তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলীয় কর্মীদের জন্য কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছেন। ইভিএম ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে আগের উদ্বেগ থেকেই রবিবার গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে তিনি কর্মীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কারচুপির চেষ্টা হতে পারে। তাই যেকোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি নজরে এলেই তা ঘিরে ধরা, প্রতিবাদ করা এবং সিসিটিভি ফুটেজের দাবি জানানোর জন্য কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।






