Kolkata Book Fair 2026: আর্জেন্টাইন আবহে সাজছে বইমেলা! মেলা প্রাঙ্গণেই মিলবে মেট্রো টিকিট, তবে মানতে হবে এই বিশেষ শর্ত!
সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে গিল্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবারই প্রথম বইমেলা প্রাঙ্গণ সরাসরি মেট্রোর মাধ্যমে হাওড়া ও শিয়ালদহ লাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
Truth of Bengal: আসন্ন ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা নিয়ে গ্রন্থপ্রেমীদের মধ্যে তুঙ্গে উৎসাহ। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে শুরু হতে চলা এই মেলায় দর্শকদের যাতায়াত সহজ করতে একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ ও পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে গিল্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবারই প্রথম বইমেলা প্রাঙ্গণ সরাসরি মেট্রোর মাধ্যমে হাওড়া ও শিয়ালদহ লাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ফলে শহরতলি থেকে আসা মানুষের ঢল সামলাতে বিশেষ মেট্রো পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বইমেলা থেকে ফেরার পথে যাত্রীদের যাতে স্টেশনের কাউন্টারে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটতে না হয়, তার জন্য মেলার ১ ও ২ নম্বর গেটের কাছে মেট্রোর বিশেষ কাউন্টার বা বুথ বসানো হবে। এখান থেকে যাত্রীরা সরাসরি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে এই বুথগুলিতে টিকিট কাটার জন্য নগদ টাকার বদলে শুধুমাত্র ইউপিআই (UPI) ব্যবস্থার মাধ্যমেই পেমেন্ট করা যাবে। মেলা চলাকালীন যাত্রীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণ দিনের পাশাপাশি শনি ও রবিবার এবং অন্যান্য ছুটির দিনেও বিশেষ পরিষেবা মিলবে। জানা গেছে, মেলার দিনগুলিতে রাত ১০টা পর্যন্ত মেট্রো পাওয়া যাবে। গিল্ডের সভাপতি সুধাংশুশেখর দে ও সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানান, মেট্রোর এই বাড়তি সক্রিয়তা দর্শকদের যাতায়াতকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।
এবারের বইমেলার থিম কান্ট্রি হিসেবে থাকছে আর্জেন্টিনা। মেলায় প্রায় ২০টি দেশ অংশগ্রহণ করলেও টানা দ্বিতীয় বছরের মতো থাকছে না বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না মেলায় এবারও বাংলাদেশের কোনো প্রকাশনী মেলায় স্টল দিতে পারছে না। গত বছরও একই পরিস্থিতির কারণে ওপার বাংলার সাহিত্য সম্ভার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন কলকাতার পাঠককুল। এবারের মেলায় মোট ৯টি প্রবেশপথ থাকবে, যার মধ্যে দুটি আর্জেন্টিনার স্থাপত্যের আদলে তৈরি করা হচ্ছে। পাঠকদের সুবিধার জন্য এবার একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ এবং মেলার প্রতিটি গেটে কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। এটি স্ক্যান করলে দর্শকরা অনায়াসেই মেলার ডিজিটাল ম্যাপ এবং কাঙ্ক্ষিত স্টলের অবস্থান জানতে পারবেন। আগামী ২২ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মেলার উদ্বোধন করবেন এবং মেলা চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।


