দেশ

হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম! যুদ্ধের আবহে পেট্রোল-ডিজেলের দাম নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র?

পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, দেশের বাজারে জ্বালানির দাম যাতে না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র বদ্ধপরিকর।

Truth of Bengal: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের আবহে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ছয় দিনের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় আমজনতার মনে বড়সড় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে জল্পনা বাড়ছিল যে, দেশের অভ্যন্তরে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম হু হু করে বাড়বে কি না, কিংবা জ্বালানির কালোবাজারি শুরু হবে কি না। তবে সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী, সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদি সরকার। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, দেশের বাজারে জ্বালানির দাম যাতে না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র বদ্ধপরিকর।

ভারতের জন্য জ্বালানি তেলের সরবরাহ বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ দেশীয় চাহিদায় ৮৫ শতাংশেরও বেশি তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক তেল আসে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে, যা বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কার্যত অবরুদ্ধ। এই সংকটের মধ্যেও ভারত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে কারণ গত বৃহস্পতিবারই রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের একটি ছাড়পত্র দিয়েছে আমেরিকা। এর ফলে বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ করার পথটি ভারতের জন্য কিছুটা মসৃণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানির দাম নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা না হলেও কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা তুঙ্গে। নয়াদিল্লি লাগাতার বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে আমদানিতে কোনো ছেদ না পড়ে। সরকারের দাবি, ভারতের হাতে বর্তমানে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাই আপাতত জোগান ফুরিয়ে যাওয়া বা আকাশছোঁয়া দাম বৃদ্ধি নিয়ে দেশবাসীর উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

এই খবরটি সবেমাত্র পাওয়া গিয়েছে এবং প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এটি পরিবেশন করা হলো। পরিস্থিতির পরিবর্তন বা নতুন কোনো তথ্য সামনে এলে আমরা দ্রুত তা আপনাদের জানাব। পূর্ণাঙ্গ এবং বিস্তারিত খবরের জন্য কিছুক্ষণ পর এই পাতাটি রিফ্রেশ করুন। আমরা সর্বদা সঠিক ও যাচাই করা তথ্য পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো বিভ্রান্তিকর খবরে কান না দেওয়ার জন্য পাঠকদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।