অফবিটরাজ্যের খবর

ইসরোর বিজ্ঞানীদের কুর্নিশ! ল্যান্ডার বিক্রম-এর মাইক্রো অবয়ব

Micro replicate of Landar Vikram

The Truth of Bengal:বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছেছে ভারত। বুধবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ পার হতেই উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে গোটা দেশ। যার রেশ চলছে এখনও। বিভিন্ন ভাবে সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করছে দেশের মানুষ। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের মাইক্রো আর্টিস্ট প্রসেনজিৎ কর খারাপ মোবাইলের যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক্স জিনিস দিয়ে চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রম-এর অবয়ব বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। বুধবার বিকেলের পর থেকে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছিলেন প্রসেনজিৎ। গোটা ল্যান্ডিং প্রক্রিয়াটি দেখেন। তারপর শুরু করেন ল্যান্ডার বিক্রম-এর অবয়ব বানানো।

তাঁর এই মাইক্রো ল্যান্ডার বিক্রম-এর অবয়ব বানাতে সময় লেগেছে ২ ঘণ্টার কিছু বেশি সময়। এই সৃজনের মাধ্যমে ইসরোকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে মাইক্রো আর্টিস্ট-এর কাজ করে চলেছেন প্রসেনজিৎ। জিতে নিয়েছেন বিভিন্ন পুরস্কার। কেশপুরের আনন্দপুর থানা এলাকায় বাবার একটি মোটর সাইকেল সারাই-এর দোকান রয়েছে। সেখানে বসেই এই শিল্পটি গড়েছেন তিনি। এর আগেও পেন্সিলের শিষের ওপর গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন বিখ্যাত মানুষের মূর্তি। তাঁর সৃষ্টিতে কখনও উঠে এসেছে মাদার টেরেজা। কখনও আবার বিরাট কোহলি।

শুধু তাই নয়, পাখির পালকের ওপর তিনি এঁকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। এবার চন্দ্রযান অবতরণের পর ল্যান্ডার বিক্রমের এই স্মারক বানিয়ে ইসরো সহ দেশবাসীকে উৎসর্গ করেছেন শিল্পী প্রসেনজিৎ কর। বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছছে ভারত। যে অসাধ্যসাধন সম্ভব হয়েছে ইসরোর বিজ্ঞানীদের জন্য। গোটা দেশ এখন কুর্নিশ জানাচ্ছে সেই ইসরো সহ বিজ্ঞানীদের। শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যাচ্ছেন তাঁরা। বাতিল মোবাইলের যন্ত্রাংশ দিয়ে মাইক্রো বিক্রম ল্যান্ডার বানিয়ে বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানালেন কেশপুরের মাইক্রো শিল্পী প্রসেনজিৎ কর।

Related Articles