অফবিটরাজ্যের খবর

এলইডির ঝলকানিতে নিষ্প্রভ প্রদীপ ,জীবিকার শিখা জ্বালিয়ে রাখার লড়াই

chandrakona potter's story

The Truth of Bengal: হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী প্রদীপের শিখা শুভ। অন্ধকার দূর করার পাশাপাশি অশুভ শক্তিকে দূরে রাখতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। বাস্তুতন্ত্র অনুসারে বাড়ির পুব দিকে প্রদীপ জ্বালানো ভালো। শ্যামাসঙ্গীতের রচিয়তা ও ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনার ধারক-বাহক কাজী নজরুল ইসলাম লেখেন। সনাতন  রীতি –পরম্পরা এখন সেভাবে বজায় রাখা হয় না।মাটির প্রদীপ জ্বালানোর চল বেশ কমেছে,তাতে কুমোরপাড়ার মুখের হাসি ম্লান হতে বসেছে।

এমনতিই স্টিল বা অন্যান্য পাত্রের ব্যবহারযোগ্যতা বাড়ায় মাটির পাত্রের দর নেই। এই অবস্থায় রং বাহারি-রঙিন আলোর ঝলকে কী চাপা পড়ছে তাঁদের কুটির শিল্পের চাকা? এলইডি আলোর ঝলকানির সঙ্গে  তাল মেলাতে গিয়ে কী পিছিয়ে পড়ছে প্রদীপ ?কারিগররা বলছেন,কালীপুজোয় বাজার একটু চাঙ্গা।তবে সারাবছর সেল কম থাকে। চিলা বিদেশী সস্তার লাইটের  রমরমার যুগে এখন যেন চিরায়ত শিল্প পথ হারাতে বসেছে।

এখন সেভাবে আর মাটির জিনিসের মতো প্রদীপ বিকোয় না।বলছেন কুমোড়পাড়ার কারিগরসমাজ।সমাজে আলো জ্বালানোর ব্রত নিয়ে যাঁরা মেহনত করে মাটির দ্রব্য তৈরি করেন তাঁরা এখন টিকে থাকার লড়াইতে।প্রদীপে বৈচিত্র্য এনে বাজার ধরার চেষ্টাও করছেন তাঁরা।ডিজিটাল যুগের চোখ ধাঁধানো আলোর সঙ্গে লড়াইতে কী তাঁরা পেরে উঠবেন ? ভাবনা হয়। ভাবিয়ে তোলে শিল্পী-কারিগরদের। তবুও তাঁরা বলছেন,হাল ছেড়ো না বন্ধু …

Free Access

Related Articles