Ghatal: বন্যার কবলে ঘাটাল, পুজোর আগে স্বস্তি কোথায়? আতঙ্কে বাসিন্দারা
যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে জল ঢুকলেই যাতায়াত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
Truth Of Bengal: পুজোর আর কয়েকদিন বাকি। স্বাভাবিক জীবনছন্দে ফিরতে পারেনি ঘাটাল। নৌকাও ডিঙি করে যাতায়াত করছে আমজনতা। জল না কমলে কিভাবে ব্যবসা চলবে,তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ব্যবসায়ীরা। দুর্গা পুজোর আগে বন্যা পরিস্থিতি এই জনপদের মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।কেন্দ্র কোনও সদর্থক ভূমিকা না নেওয়ায় রাজ্য দ্রুত ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণ করতে তত্পর।(Ghatal)
লাগাতার বৃষ্টিতে জলস্ফীতি হয়েছে শিলাবতী নদীতে। প্রথম বন্যায় ভেঙে যাওয়া ভাঙা নদী বাঁধ মেরামত হয়নি। তার মধ্যে ফের নদীর জল বাড়তেই আবারও সেই ভাঙা বাঁধ দিয়ে হুহু করে জল ঢুকছে। ফলে বন্যার আশঙ্কায় ঘাটাল সহ বিস্তির্ণ এলাকার মানুষ। ভোগান্তি চরমে উঠেছে চন্দ্রকোনার যাদবপুর সহ ঘাটালের একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের। চলতি বছরে পরপর বন্যা লাগাতার বৃষ্টি হয়ে চলেছে। চন্দ্রকোনার যাদবপুরে শিলাবতী নদীর ভাঙা বাঁধ দিয়ে জল ঢুকছে গ্রামে।(Ghatal)
আরও পড়ুনঃ Carlos Alcaraz: ইউএস ওপেন, সহজ জয়ে তৃতীয় রাউন্ডে কার্লোস আলকারাজ
জলে ডুবে গিয়েছে কৃষি জমিও। যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে জল ঢুকলেই যাতায়াত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অগত্যা মাঠ দিয়ে গলা সমান জল পেরিয়ে বাড়ি থেকে বাজারহাটে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যাতায়াত।দুর্গার আগমনের যখন কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে,তখন এখনও এই পুরএলাকায় জলবন্দি দশার অবসান হয়নি।বাসিন্দারা চান,জলকষ্ট দূর করুন জগত্জননী।পুজোর আনন্দে মাতোয়ারা কীভাবে তাঁরা হবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না প্লাবিত এলাকার মানুষজন।ব্যবসায়ীদের কারবার মার খাওয়ায় বাজারও জমছে না ডিভিসির লাগাতার জল ছাড়ার মাঝে প্রবল বর্ষণের এই বিপত্তি।(Ghatal)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
জুন মাসের প্রথমদিকে শিলাবতী নদীর চার চারটি বাঁধ ও বাঁধ সংলগ্ন যাতায়াতের রাস্তা ভেঙে যায়। দেখা দেয় ভয়াবহ বন্যা। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নদীর জলস্তর বাড়লেই এই ভাঙা বাঁধ দিয়ে জল ঢোকে গ্রামে। ফিবছর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানেই ভরসা রাখছে প্লাবিত এলাকার মানুষ।প্রশাসনও যুদ্ধকালীন তত্পরতায় কাজে নেমেছে।(Ghatal)
দুর্গাপুজোর আগে বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ ঘাটালবাসীর কপালে। তাই প্লাবন পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাঁদের পুজোর আনন্দ মিলতে পারে বলে ব্যবসায়ীদের মতোই সাধারণ মানুষ মনে করছেন।(Ghatal)






